দশ মিনিটে ফর্সা হন

দশ মিনিটে ফর্সা হন

ফর্সা ত্বক আমরা কে না চাই? কিন্তু আমাদের দেশের আবহাওয়া আর দূষণের জন্য সেটা মোটামুটি কঠিন একটা কাজ হয়ে দাঁড়ায়। তার উপর এখনকার ব্যস্ত জীবনযাত্রায় নিজের রূপচর্চার জন্য সময় বের করাটা অনেক কঠিন একটা কাজ হয়ে দাড়িয়েছে। ফলে নিয়মিত যত্নের অভাবে স্বাভাবিক ভাবেই আমাদের ত্বক দিন দিন তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য হাড়িয়ে ফেলছে। এই সমস্যার একটা সহজ সমাধান আমি আজ নিয়ে এসেছি। আজ আমি আপনাদের সাথে এমন একটি রূপচর্চার উপায় শেয়ার করব যেটা আপনি মাত্র দশ মিনিটে করতে পারবেন। আর ফলাফল উজ্জ্বল ফর্সা ত্বক। আপনি যতই ব্যস্ত হন না কেন, নিজের ত্বকের যত্ন নিতে দিনে মাত্র দশ মিনিট সময় বের করাটা খুব কঠিন কিছু নয়।

আমি আজ যেই ফর্সা হওয়ার উপায় নিয়ে কথা বলব সেটি অন্যান্য ফর্সা হবার উপায় থেকে একটু ভিন্ন ধরণের। যদিও খুবই সাধারণ দুটি উপকরণ ব্যবহার করে এই ফর্সা হবার উপায় বানানো হয়েছে। তবে এটি ব্যবহার করার ধরণটা একটু ভিন্ন। চলুন দেরি না করে কিভাবে এই ফেস প্যাকটি বানানো হয়েছে আর কিভাবে ব্যবহার করতে হবে তা জেনে নেই।

দশ মিনিটে ফর্সা হবার উপকরণ সমূহ

এই ফর্সা হবার ফেস প্যাকটির জন্য আমাদের মাত্র দুটি উপকরণ লাগবে। এই দুটি উপকরণই খুব সহজলভ্য। প্রায় সব সময়ই এই দুটি উপকরণ আমাদের সবার বাসাতেই থেকে থাকে। উপকরণ দুটি হচ্ছে

  • টকদই ১ চা চামচ
  • মধু ১/২ চা চামচ থেকে ১ চা চামচ

ফেস প্যাকটি ব্যবহারের নিয়ম

প্রথমে একটা বাটিতে টকদই ও মধু মিশিয়ে নিতে হবে। যদি আপনার তৈলাক্ত ত্বক হয় তবে ১/২ চা চামচ মধু ব্যবহার করতে হবে। নতুবা ১ চা চামচ মধু ব্যভার করবেন। এরপর মুখ পরিস্কার করে নিতে হবে। এই ফেস প্যাকটি মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে পাঁচ মিনিট। এরপর হাত দিয়ে আস্তে আস্তে মুখ ম্যাসাজ করা শুরু করতে হবে। পাঁচ মিনিটের জন্য এই ফেস প্যাকটি দিয়ে মুখ ম্যাসাজ করতে হবে। এরপর একটা ভেজা নরম তোয়ালে দিয়ে মুখ খুব ভাল করে মুছে নিতে হবে। প্রতিদিন একবার করে এই ফেস প্যাকটি এই নিয়মে ব্যবহার করতে হবে।

ফেস প্যাকটি ব্যবহারের উপকারিতা

এই ফেস প্যাকটিতে টকদই আর মধু ব্যবহার করা হয়েছে। এই দুটি উপকরণই ত্বকের জন্য আশির্বাদ স্বরূপ। টকদই হচ্ছে ন্যাচারাল ব্লিচ। এটি যেকোন কেমিকেল ব্লিচের মত করেই ত্বককে ফর্সা করে তোলে। তবে একটু আস্তে আস্তে। আর টকদই এ আছে ল্যাকটিক এসিড। ল্যাকটিক এসিড খুব মাইল্ড স্ক্রাবের মত কাজ করতে পারে। ফলে টকদই ত্বকের উপর থেকে মরা কোষ ঝরিয়ে ফেলতে সাহায্য করে। ফলে স্বাভাবতই ত্বক আস্তে আস্তে ফর্সা ও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।

আরো বিভিন্ন ভাবে আপনি ত্বকের যত্নে টকদই ব্যবাহার করতে পারেন। এই লিঙ্কে এব্যাপারে বিস্তারিত একটা আর্টিকেল আছে।

এই ফেস প্যাকের আর একটি উপাদান হচ্ছে মধু। মধু হচ্ছে ন্যাচারাল মইশ্চারাইজার। সেই সাথে এটি ত্বক ফর্সা করতেও খুব ভাল কাজে দেয়।

আর এই ফেস প্যাকটি ব্যবাহার করে উপকার পাবার সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে প্যাকটি দেয়ার পর ম্যাসাজ করার পদ্ধতি। ফেস প্যাকটি মুখে লাগানো অবস্থায় মুখ ম্যসাজ করার ফলে মুখে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়। সেই সাথে এই ফে প্যাক এর প্রয়োজনীয় পুষ্টি ত্বক খুব ভালভাবে শোষণ করে নিতে পারে। তাছাড়া এভাবে ম্যাসাজ করার ফলে ত্বকের ক্লিনজিং প্রক্রিয়াটাও বেশ ভালভাবেই হয়ে যায়। ফলে রোজ এই ফেস প্যাকটি ব্যবহার করলে আমাদের ত্বকও পরিস্কার থাকে। আর পরিস্কার ত্বক মানেই ফর্সা ত্বক এটা আমরা সবাই জানি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *